দৈনিক কক্সবাজার বাণী
সর্বশেষ

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যোগদানের পর প্রায় ১১ মাসে একের পর এক সফল অভিযানের মাধ্যমে অপরাধ দমনে আলোচনায় উঠে এসেছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী মোহাম্মদ তানভীরুল আজম। ওয়ারেন্টভুক্ত ও দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেফতার, বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার মামলার প্রধান আসামি এহেছানকে গ্রেফতারের ঘটনায় তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন।গত ৩ জুলাই কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এহেছানকে গ্রেফতার করে এসআই তানভীর। পুলিশ সূত্র জানায়, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনি প্রধান আসামি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন।জানা গেছে, এসআই তানভীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কক্সবাজার সদরে বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। তার নেতৃত্বে একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত, পলাতক ও বিভিন্ন মামলার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে পুরস্কৃতও হয়েছেন।মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বাদী ইকবাল হাসান কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক রূপালী সৈকত’র সহ-সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক মুক্ত খবর’র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার। তার তত্ত্বাবধানে থাকা একটি সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করে প্রধান আসামি এহেছান অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে জানতে পেরে তাকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। এর জের ধরে গত ২৯ মে সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া মকবুল সওদাগরপাড়ার একটি চায়ের দোকানে এহেছান ও তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন তাকে ঘিরে হামলা চালায়।এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। প্রধান আসামি তার পিঠে কামড় দিয়ে গুরুতর জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া, একটি পাওয়ার ব্যাংক ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার পর থেকেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে মাঠে নামে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর সার্কেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে। সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার ঘটনাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদেরও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, এসআই তানভীরসহ সদর মডেল থানার কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। আইন সবার জন্য সমান-কেউ অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, এসআই তানভীরের মতো চৌকস ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা পুলিশের জন্য গর্ব। তিনি নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।স্থানীয়রা বলছেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অগ্রগতি কক্সবাজার সদর মডেল থানার আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যতেও একই ধারাবাহিকতায় অপরাধ দমনে পুলিশ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যোগদানের পর প্রায় ১১ মাসে একের পর এক সফল অভিযানের মাধ্যমে অপরাধ দমনে আলোচনায় উঠে এসেছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী মোহাম্মদ তানভীরুল আজম। ওয়ারেন্টভুক্ত ও দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেফতার, বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার মামলার প্রধান আসামি এহেছানকে গ্রেফতারের ঘটনায় তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন।গত ৩ জুলাই কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এহেছানকে গ্রেফতার করে এসআই তানভীর। পুলিশ সূত্র জানায়, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনি প্রধান আসামি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন।জানা গেছে, এসআই তানভীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কক্সবাজার সদরে বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। তার নেতৃত্বে একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত, পলাতক ও বিভিন্ন মামলার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে পুরস্কৃতও হয়েছেন।মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বাদী ইকবাল হাসান কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক রূপালী সৈকত’র সহ-সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক মুক্ত খবর’র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার। তার তত্ত্বাবধানে থাকা একটি সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করে প্রধান আসামি এহেছান অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে জানতে পেরে তাকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। এর জের ধরে গত ২৯ মে সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া মকবুল সওদাগরপাড়ার একটি চায়ের দোকানে এহেছান ও তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন তাকে ঘিরে হামলা চালায়।এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। প্রধান আসামি তার পিঠে কামড় দিয়ে গুরুতর জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া, একটি পাওয়ার ব্যাংক ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার পর থেকেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে মাঠে নামে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর সার্কেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে। সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার ঘটনাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদেরও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, এসআই তানভীরসহ সদর মডেল থানার কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। আইন সবার জন্য সমান-কেউ অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, এসআই তানভীরের মতো চৌকস ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা পুলিশের জন্য গর্ব। তিনি নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।স্থানীয়রা বলছেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অগ্রগতি কক্সবাজার সদর মডেল থানার আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যতেও একই ধারাবাহিকতায় অপরাধ দমনে পুলিশ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যোগদানের পর প্রায় ১১ মাসে একের পর এক সফল অভিযানের মাধ্যমে অপরাধ দমনে আলোচনায় উঠে এসেছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী মোহাম্মদ তানভীরুল আজম। ওয়ারেন্টভুক্ত ও দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেফতার, বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার মামলার প্রধান আসামি এহেছানকে গ্রেফতারের ঘটনায় তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন।গত ৩ জুলাই কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এহেছানকে গ্রেফতার করে এসআই তানভীর। পুলিশ সূত্র জানায়, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনি প্রধান আসামি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন।জানা গেছে, এসআই তানভীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কক্সবাজার সদরে বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। তার নেতৃত্বে একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত, পলাতক ও বিভিন্ন মামলার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে পুরস্কৃতও হয়েছেন।মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বাদী ইকবাল হাসান কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক রূপালী সৈকত’র সহ-সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক মুক্ত খবর’র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার। তার তত্ত্বাবধানে থাকা একটি সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করে প্রধান আসামি এহেছান অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে জানতে পেরে তাকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। এর জের ধরে গত ২৯ মে সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া মকবুল সওদাগরপাড়ার একটি চায়ের দোকানে এহেছান ও তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন তাকে ঘিরে হামলা চালায়।এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। প্রধান আসামি তার পিঠে কামড় দিয়ে গুরুতর জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া, একটি পাওয়ার ব্যাংক ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার পর থেকেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে মাঠে নামে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর সার্কেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে। সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার ঘটনাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদেরও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, এসআই তানভীরসহ সদর মডেল থানার কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। আইন সবার জন্য সমান-কেউ অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, এসআই তানভীরের মতো চৌকস ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা পুলিশের জন্য গর্ব। তিনি নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।স্থানীয়রা বলছেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অগ্রগতি কক্সবাজার সদর মডেল থানার আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যতেও একই ধারাবাহিকতায় অপরাধ দমনে পুলিশ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যোগদানের পর প্রায় ১১ মাসে একের পর এক সফল অভিযানের মাধ্যমে অপরাধ দমনে আলোচনায় উঠে এসেছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী মোহাম্মদ তানভীরুল আজম। ওয়ারেন্টভুক্ত ও দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেফতার, বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার মামলার প্রধান আসামি এহেছানকে গ্রেফতারের ঘটনায় তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন।গত ৩ জুলাই কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এহেছানকে গ্রেফতার করে এসআই তানভীর। পুলিশ সূত্র জানায়, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনি প্রধান আসামি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন।জানা গেছে, এসআই তানভীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কক্সবাজার সদরে বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। তার নেতৃত্বে একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত, পলাতক ও বিভিন্ন মামলার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে পুরস্কৃতও হয়েছেন।মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বাদী ইকবাল হাসান কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক রূপালী সৈকত’র সহ-সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক মুক্ত খবর’র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার। তার তত্ত্বাবধানে থাকা একটি সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করে প্রধান আসামি এহেছান অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে জানতে পেরে তাকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। এর জের ধরে গত ২৯ মে সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া মকবুল সওদাগরপাড়ার একটি চায়ের দোকানে এহেছান ও তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন তাকে ঘিরে হামলা চালায়।এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। প্রধান আসামি তার পিঠে কামড় দিয়ে গুরুতর জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া, একটি পাওয়ার ব্যাংক ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার পর থেকেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে মাঠে নামে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর সার্কেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে। সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার ঘটনাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদেরও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, এসআই তানভীরসহ সদর মডেল থানার কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। আইন সবার জন্য সমান-কেউ অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, এসআই তানভীরের মতো চৌকস ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা পুলিশের জন্য গর্ব। তিনি নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।স্থানীয়রা বলছেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অগ্রগতি কক্সবাজার সদর মডেল থানার আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যতেও একই ধারাবাহিকতায় অপরাধ দমনে পুলিশ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যোগদানের পর প্রায় ১১ মাসে একের পর এক সফল অভিযানের মাধ্যমে অপরাধ দমনে আলোচনায় উঠে এসেছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী মোহাম্মদ তানভীরুল আজম। ওয়ারেন্টভুক্ত ও দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেফতার, বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার মামলার প্রধান আসামি এহেছানকে গ্রেফতারের ঘটনায় তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন।গত ৩ জুলাই কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এহেছানকে গ্রেফতার করে এসআই তানভীর। পুলিশ সূত্র জানায়, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনি প্রধান আসামি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন।জানা গেছে, এসআই তানভীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কক্সবাজার সদরে বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। তার নেতৃত্বে একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত, পলাতক ও বিভিন্ন মামলার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে পুরস্কৃতও হয়েছেন।মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বাদী ইকবাল হাসান কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক রূপালী সৈকত’র সহ-সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক মুক্ত খবর’র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার। তার তত্ত্বাবধানে থাকা একটি সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করে প্রধান আসামি এহেছান অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে জানতে পেরে তাকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। এর জের ধরে গত ২৯ মে সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া মকবুল সওদাগরপাড়ার একটি চায়ের দোকানে এহেছান ও তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন তাকে ঘিরে হামলা চালায়।এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। প্রধান আসামি তার পিঠে কামড় দিয়ে গুরুতর জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া, একটি পাওয়ার ব্যাংক ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার পর থেকেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে মাঠে নামে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর সার্কেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে। সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার ঘটনাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদেরও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, এসআই তানভীরসহ সদর মডেল থানার কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। আইন সবার জন্য সমান-কেউ অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, এসআই তানভীরের মতো চৌকস ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা পুলিশের জন্য গর্ব। তিনি নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।স্থানীয়রা বলছেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অগ্রগতি কক্সবাজার সদর মডেল থানার আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যতেও একই ধারাবাহিকতায় অপরাধ দমনে পুলিশ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যোগদানের পর প্রায় ১১ মাসে একের পর এক সফল অভিযানের মাধ্যমে অপরাধ দমনে আলোচনায় উঠে এসেছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী মোহাম্মদ তানভীরুল আজম। ওয়ারেন্টভুক্ত ও দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেফতার, বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার মামলার প্রধান আসামি এহেছানকে গ্রেফতারের ঘটনায় তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন।গত ৩ জুলাই কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এহেছানকে গ্রেফতার করে এসআই তানভীর। পুলিশ সূত্র জানায়, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনি প্রধান আসামি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন।জানা গেছে, এসআই তানভীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কক্সবাজার সদরে বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। তার নেতৃত্বে একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত, পলাতক ও বিভিন্ন মামলার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে পুরস্কৃতও হয়েছেন।মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বাদী ইকবাল হাসান কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক রূপালী সৈকত’র সহ-সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক মুক্ত খবর’র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার। তার তত্ত্বাবধানে থাকা একটি সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করে প্রধান আসামি এহেছান অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে জানতে পেরে তাকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। এর জের ধরে গত ২৯ মে সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া মকবুল সওদাগরপাড়ার একটি চায়ের দোকানে এহেছান ও তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন তাকে ঘিরে হামলা চালায়।এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। প্রধান আসামি তার পিঠে কামড় দিয়ে গুরুতর জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া, একটি পাওয়ার ব্যাংক ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার পর থেকেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে মাঠে নামে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর সার্কেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে। সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার ঘটনাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদেরও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, এসআই তানভীরসহ সদর মডেল থানার কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। আইন সবার জন্য সমান-কেউ অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, এসআই তানভীরের মতো চৌকস ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা পুলিশের জন্য গর্ব। তিনি নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।স্থানীয়রা বলছেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অগ্রগতি কক্সবাজার সদর মডেল থানার আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যতেও একই ধারাবাহিকতায় অপরাধ দমনে পুলিশ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যোগদানের পর প্রায় ১১ মাসে একের পর এক সফল অভিযানের মাধ্যমে অপরাধ দমনে আলোচনায় উঠে এসেছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী মোহাম্মদ তানভীরুল আজম। ওয়ারেন্টভুক্ত ও দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেফতার, বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার মামলার প্রধান আসামি এহেছানকে গ্রেফতারের ঘটনায় তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন।গত ৩ জুলাই কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এহেছানকে গ্রেফতার করে এসআই তানভীর। পুলিশ সূত্র জানায়, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনি প্রধান আসামি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন।জানা গেছে, এসআই তানভীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কক্সবাজার সদরে বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। তার নেতৃত্বে একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত, পলাতক ও বিভিন্ন মামলার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে পুরস্কৃতও হয়েছেন।মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বাদী ইকবাল হাসান কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক রূপালী সৈকত’র সহ-সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক মুক্ত খবর’র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার। তার তত্ত্বাবধানে থাকা একটি সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করে প্রধান আসামি এহেছান অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে জানতে পেরে তাকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। এর জের ধরে গত ২৯ মে সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া মকবুল সওদাগরপাড়ার একটি চায়ের দোকানে এহেছান ও তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন তাকে ঘিরে হামলা চালায়।এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। প্রধান আসামি তার পিঠে কামড় দিয়ে গুরুতর জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া, একটি পাওয়ার ব্যাংক ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার পর থেকেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে মাঠে নামে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর সার্কেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে। সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার ঘটনাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদেরও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, এসআই তানভীরসহ সদর মডেল থানার কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। আইন সবার জন্য সমান-কেউ অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, এসআই তানভীরের মতো চৌকস ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা পুলিশের জন্য গর্ব। তিনি নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।স্থানীয়রা বলছেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অগ্রগতি কক্সবাজার সদর মডেল থানার আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যতেও একই ধারাবাহিকতায় অপরাধ দমনে পুলিশ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

কক্সবাজারে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন, মূল্যায়ন পরীক্ষায় প্রথম রোমানা আক্তার

কক্সবাজারে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন, মূল্যায়ন পরীক্ষায় প্রথম রোমানা আক্তার

কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাব ও ডেইলি ইন্ডাস্ট্রির ব্যবস্থাপনায় সারাদেশের ৫০ জন সাংবাদিকের অংশগ্রহণে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কর্মশালার সমাপনী দিনে অনুষ্ঠিত মূল্যায়ন পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেন সাংবাদিক রোমানা আক্তার।গত ২, ৩ ও ৪ জুলাই কক্সবাজার পৌরসভার ঝাউতলাস্থ সাইমন রোডে অবস্থিত ওয়াস ট্রেনিং সেন্টারে (ডিপিএইচই)- এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।তিন দিনব্যাপী এ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের আধুনিক সাংবাদিকতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছিল ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি, ভিডিও স্টোরিটেলিং, মোবাইল সাংবাদিকতা (মোজো), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার, ফ্যাক্ট-চেকিং এবং মাল্টিমিডিয়া প্ল্যাটফর্মে কার্যকর সংবাদ পরিবেশনের কৌশল।কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আন্তর্জাতিক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও গবেষক প্রফেসর ড. সলিমুল্লাহ খান, ডেইলি ইন্ডাস্ট্রির সম্পাদক ডা. এনায়েত করিম এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফজলুল কাদের চৌধুরী। কর্মশালা সঞ্চালনা করেন কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরিদুল আলম শাহীন।আয়োজকরা জানান, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান গণমাধ্যমের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে সক্ষমতা উন্নয়ন এবং আধুনিক সাংবাদিকতার বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান প্রদানই ছিল এ কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য।

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যোগদানের পর প্রায় ১১ মাসে একের পর এক সফল অভিযানের মাধ্যমে অপরাধ দমনে আলোচনায় উঠে এসেছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী মোহাম্মদ তানভীরুল আজম। ওয়ারেন্টভুক্ত ও দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেফতার, বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার মামলার প্রধান আসামি এহেছানকে গ্রেফতারের ঘটনায় তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন।গত ৩ জুলাই কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এহেছানকে গ্রেফতার করে এসআই তানভীর। পুলিশ সূত্র জানায়, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনি প্রধান আসামি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন।জানা গেছে, এসআই তানভীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কক্সবাজার সদরে বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। তার নেতৃত্বে একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত, পলাতক ও বিভিন্ন মামলার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে পুরস্কৃতও হয়েছেন।মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বাদী ইকবাল হাসান কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক রূপালী সৈকত’র সহ-সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক মুক্ত খবর’র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার। তার তত্ত্বাবধানে থাকা একটি সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করে প্রধান আসামি এহেছান অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে জানতে পেরে তাকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। এর জের ধরে গত ২৯ মে সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া মকবুল সওদাগরপাড়ার একটি চায়ের দোকানে এহেছান ও তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন তাকে ঘিরে হামলা চালায়।এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। প্রধান আসামি তার পিঠে কামড় দিয়ে গুরুতর জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া, একটি পাওয়ার ব্যাংক ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার পর থেকেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে মাঠে নামে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর সার্কেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে। সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার ঘটনাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদেরও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, এসআই তানভীরসহ সদর মডেল থানার কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। আইন সবার জন্য সমান-কেউ অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, এসআই তানভীরের মতো চৌকস ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা পুলিশের জন্য গর্ব। তিনি নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।স্থানীয়রা বলছেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অগ্রগতি কক্সবাজার সদর মডেল থানার আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যতেও একই ধারাবাহিকতায় অপরাধ দমনে পুলিশ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যোগদানের পর প্রায় ১১ মাসে একের পর এক সফল অভিযানের মাধ্যমে অপরাধ দমনে আলোচনায় উঠে এসেছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী মোহাম্মদ তানভীরুল আজম। ওয়ারেন্টভুক্ত ও দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেফতার, বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার মামলার প্রধান আসামি এহেছানকে গ্রেফতারের ঘটনায় তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন।গত ৩ জুলাই কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এহেছানকে গ্রেফতার করে এসআই তানভীর। পুলিশ সূত্র জানায়, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনি প্রধান আসামি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন।জানা গেছে, এসআই তানভীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কক্সবাজার সদরে বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। তার নেতৃত্বে একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত, পলাতক ও বিভিন্ন মামলার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে পুরস্কৃতও হয়েছেন।মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বাদী ইকবাল হাসান কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক রূপালী সৈকত’র সহ-সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক মুক্ত খবর’র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার। তার তত্ত্বাবধানে থাকা একটি সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করে প্রধান আসামি এহেছান অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে জানতে পেরে তাকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। এর জের ধরে গত ২৯ মে সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া মকবুল সওদাগরপাড়ার একটি চায়ের দোকানে এহেছান ও তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন তাকে ঘিরে হামলা চালায়।এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। প্রধান আসামি তার পিঠে কামড় দিয়ে গুরুতর জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া, একটি পাওয়ার ব্যাংক ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার পর থেকেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে মাঠে নামে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর সার্কেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে। সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার ঘটনাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদেরও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, এসআই তানভীরসহ সদর মডেল থানার কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। আইন সবার জন্য সমান-কেউ অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, এসআই তানভীরের মতো চৌকস ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা পুলিশের জন্য গর্ব। তিনি নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।স্থানীয়রা বলছেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অগ্রগতি কক্সবাজার সদর মডেল থানার আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যতেও একই ধারাবাহিকতায় অপরাধ দমনে পুলিশ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

১১ মাসে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রশংসায় ভাসছেন এসআই তানভীর

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যোগদানের পর প্রায় ১১ মাসে একের পর এক সফল অভিযানের মাধ্যমে অপরাধ দমনে আলোচনায় উঠে এসেছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী মোহাম্মদ তানভীরুল আজম। ওয়ারেন্টভুক্ত ও দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেফতার, বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার মামলার প্রধান আসামি এহেছানকে গ্রেফতারের ঘটনায় তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন।গত ৩ জুলাই কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এহেছানকে গ্রেফতার করে এসআই তানভীর। পুলিশ সূত্র জানায়, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনি প্রধান আসামি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন।জানা গেছে, এসআই তানভীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কক্সবাজার সদরে বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। তার নেতৃত্বে একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত, পলাতক ও বিভিন্ন মামলার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে পুরস্কৃতও হয়েছেন।মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বাদী ইকবাল হাসান কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক রূপালী সৈকত’র সহ-সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক মুক্ত খবর’র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার। তার তত্ত্বাবধানে থাকা একটি সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করে প্রধান আসামি এহেছান অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে জানতে পেরে তাকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। এর জের ধরে গত ২৯ মে সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া মকবুল সওদাগরপাড়ার একটি চায়ের দোকানে এহেছান ও তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন তাকে ঘিরে হামলা চালায়।এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। প্রধান আসামি তার পিঠে কামড় দিয়ে গুরুতর জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া, একটি পাওয়ার ব্যাংক ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার পর থেকেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে মাঠে নামে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অবশেষে প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর সার্কেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে। সাংবাদিক ইকবাল হাসানের ওপর হামলার ঘটনাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদেরও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, এসআই তানভীরসহ সদর মডেল থানার কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। আইন সবার জন্য সমান-কেউ অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, এসআই তানভীরের মতো চৌকস ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা পুলিশের জন্য গর্ব। তিনি নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরাধ দমনে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।স্থানীয়রা বলছেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অগ্রগতি কক্সবাজার সদর মডেল থানার আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যতেও একই ধারাবাহিকতায় অপরাধ দমনে পুলিশ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।